ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চারটি আসনের ভোটে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে বিএনপির চার প্রার্থীর করা পৃথক চারটি নির্বাচনী আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেন।

আবেদনকারীরা হলেন কুড়িগ্রাম–২ আসনে বিএনপির মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, রংপুর-৪ আসনের মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা, রংপুর-৬ আসনের মো. সাইফুল ইসলাম এবং রাজশাহী-১ আসনের মেজর জেনারেল (অব) মো. শরীফ উদ্দীন।

প্রধান বিচারপতি গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনী আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্টে একক বেঞ্চ নির্ধারণ করেছিলেন। সোমবারের কার্যতালিকায় চারটি আবেদন নতুন মামলা হিসেবে ওঠে। শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন কুড়িগ্রাম ও রংপুরের তিন আসনে বিএনপির প্রার্থীদের পক্ষে আইনজীবী মো. আজিজুর রহমান দুলু এবং রাজশাহীর আসনে ছিলেন মো. মোক্তাদির রহমান।

আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু জানান, ভোটে কারচুপির অভিযোগে আসন তিনটির ভোট যাচাই ও পুনর্গণনার আবেদন করা হয়েছে। হাইকোর্ট আবেদনগুলো শুনানির জন্য গ্রহণ করে আগামী ৬ মে তারিখ নির্ধারণ করেছে। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে ওই আসনগুলোর ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনী সামগ্রী সংরক্ষণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রাজশাহী–১ আসনে বিএনপির শরীফ উদ্দীনের আবেদনে বিজয়ী প্রার্থীর ফলাফল বাতিলের দাবি করা হয়েছে। হাইকোর্ট আবেদনটি গ্রহণ করে আগামী ১৩ মে শুনানির দিন ধার্য করেছে। এ আসনের ব্যালট পেপার, সিসিটিভি ফুটেজসহ সংশ্লিষ্ট সামগ্রী সংরক্ষণের নির্দেশও দেয়া হয়েছে।

গেজেট প্রকাশের পর কোনো প্রার্থী নির্বাচনী ফলাফলের বিরুদ্ধে আপত্তি জানাতে চাইলে হাইকোর্টে আবেদন করতে পারেন। এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ও ১ মার্চ বিএনপি ও জামায়াতের আরো কয়েকজন প্রার্থীর করা নির্বাচনী আবেদন একই বেঞ্চ শুনানির জন্য গ্রহণ করেছিল।