আতঙ্কিত হয়ে বেশি বেশি কেনার প্রতিযোগিতা নামার কোনো দরকার নেই। কারণ বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে— ভোজ্যতেলের সার্বিক সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভা শেষে আজ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি জানান, আমদানিকারক ও রিফাইনারি মালিকদের বিস্তারিত আলাপ থেকে জানা গেছে বাজারে ভোজ্য তেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ‘হয়তো কোনো কোনো জায়গায় প্যানিক বায়িংয়ের কারণে প্যানিক পারচেজের কারণে আতঙ্কিত হয়ে অনেক সময় ভোক্তারা বেশি কেনার একটা প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। সেসব কারণে হয়তো কোনো কোনো জায়গায় মজুদ তাৎক্ষণিকভাবে শেষ হয়ে গিয়েছিল। এছাড়া স্বাভাবিকভাবে বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতি ভালোই আছে।’
কতটুকু মজুদ আছে, চাহিদা কেমন—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘যখন আতঙ্কিত হয়ে ভোক্তারা বেশি বেশি কেনার চেষ্টা করেন, তখন একটা প্রাইস প্রেসার সৃষ্টি হয় ওই জায়গায়।’
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘দয়া করে আতঙ্কিত হয়ে বেশি বেশি কেনার প্রতিযোগিতা নামার কোন দরকার নাই। কারণ বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে। যে জিনিস আছে, সেটার জন্য প্রতিযোগিতা করার দরকার নাই। আর প্রতিযোগিতা করলে অনেক সময় অসাধু, যার মানে মনোবৃত্তিটা সাধু না সেরকম কোন বিক্রেতা এটা সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করতে পারে। তো কেন আমরা অহেতুক এই আতঙ্ক সৃষ্টি করব আর কাউকে সেই সুযোগ নেয়ার সুযোগ করে দিব না।’
আপনারা কোন অভিযান চালাবেন কিনা—এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ভোক্তা অধিকার দপ্তর আছে। তারা তাদের কাজ করবে, করছে, করবেও।’
জ্বালানি তেলের সঙ্গে সংগতি রেখে কোনো একটি পক্ষ ভোজ্য তেলের সংকট তৈরি করতে চাচ্ছে কি-না? এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এই মুহূর্তে জ্বালানির তেলেরও কোনো সংকট নাই, গ্যাসেরও কোনো সংকট নাই, এলএনজি আমদানির ক্ষেত্রেও গ্যাসের সংকট নাই, ভোজ্য তেলেরও কোনো সংকট নাই। সুতরাং ভোজ্য তেল বলেন আর জ্বালানি তেল বলেন কোনটার সঙ্গেই দয়া করে সংকট শব্দটাকে আনবেন না। কারণ এটির অপপ্রয়োগ হবে সে ক্ষেত্রে।’










