পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী জলবায়ু মোকাবেলায় প্রত্যাশা ও প্রতিশ্রুতি বাড়ানোর জন্য সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন শুধু পরিবেশগত সমস্যা নয়; এটি একটি অস্তিত্বের সংকট যা জরুরি এবং ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপের দাবি রাখে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতি কর্মকাণ্ডের ফলাফল আমাদের গ্রহ এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। 

সোমবার (১ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজিত ক্লাইমেট পার্লামেন্ট, বাংলাদেশের নবগঠিত কমিটি ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কমিটির চিফ প্যাট্রনের বক্তব্যে পরিবেশমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চেয়ে আজ মানবতার সামনে আর কোনো বড় হুমকি নেই এবং এর প্রভাবের জন্য গ্রাউন্ড জিরো হিসেবে বাংলাদেশ এগিয়ে আছে।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জের সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হতে চায়। আমাদের অবশ্যই এ চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হওয়ার জন্য সমস্ত সেক্টরের লোকদের একত্রিত করতে হবে। তিনি বলেন, বিশ্ব জলবায়ু কর্মকাণ্ডে আমাদের সাফল্য থেকে শিক্ষা নিতে চায়। তারা বুঝতে চায় কীভাবে সম্প্রদায়-ভিত্তিক অভিযোজন কৌশলগুলো কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। আসুন আমরা সবার জন্য টেকসই এবং স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যতের দিকে এ যাত্রা শুরু করি।

মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব প্রশমনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং টেকসই সমাধান পরিচালনায় জলবায়ু সংসদের মতো প্ল্যাটফর্মের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর জোর দেন। তিনি বিশ্বব্যাপী জলবায়ু স্থিতিস্থাপক প্রচেষ্টা এগিয়ে নিতে নবগঠিত কমিটির যৌথ দক্ষতা এবং সংস্থানগুলো কাজে লাগানোর জন্য তার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু সংসদের নতুন কমিটি ঘোষণা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক লড়াইয়ে এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। 

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। জলবায়ু সংসদের চেয়ারপারসন তানভীর শাকিল জয় এমপি ও জলবায়ু সংসদের আহ্বায়ক নাহিম রাজ্জাক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সংসদ সদস্য, রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক এবং পরিবেশ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।