সিলেট নগরীতে সরকারি, বেসরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন যে কয়টি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, এর মধ্যে অন্যতম জিন্দাবাজার এলাকার সমবায় ভবন। পাশাপাশি চারটি আলাদা ভবন নিয়ে নামকরণ করা সমবায় ভবনের বয়স ৩০-৫৮ বছর। ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে তালিকাভুক্ত ভবনটি সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) ভেঙে দিতে চাইলেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা ভবন রক্ষায় আন্দোলনে নেমেছেন।

সমবায় ভবন দোকান মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম লস্কর দাবি করেন, সাধারণত একটি ভবনের মেয়াদ ৯০-১০০ বছর থাকে। কিন্তু সমবায় মার্কেটের চারটি আলাদা ভবন ১৯৬৫-৯৬ সালের মধ্যে নির্মাণ করা হয়েছে। ভবনগুলোর মধ্যে একটি ছাড়া বাকি তিনটির কোনো কারিগরি প্রতিবেদন নেই। তার পরও সিটি করপোরেশন ভবনটি ভাঙতে চাচ্ছে। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতে ব্যবসায়ীরা আপিল করেছেন, যা আগামী ২০ নভেম্বরে শুনানির কথা।

তবে সিটি করপোরেশন সূত্র জানিয়েছে, সিলেট নগরীতে ২০১৬ সালে সিটি করপোরেশন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের জরিপ শুরু করে। প্রায় ৪০ হাজার ভবনের জরিপ শেষে ৩০টি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। গত পাঁচ বছরে দু-চারটি ভবন ভাঙার পর সিসিকের এ কার্যক্রম স্থগিত ছিল। সম্প্রতি কয়েক দফা ভূমিকম্পের পর বিষয়টি পুনরায় সামনে এসেছে।

সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান জানান, সমবায় ভবনের মেয়াদ কম হলেও কারিগরি ত্রুটি রয়েছে। সেজন্য তা ভাঙার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তাদের নোটিস দেয়া হয়েছে। তারা না সরালে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।