স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আগামী জুনের মধ্যে ৫-১২ বছরের শিশুদের টিকা দেয়ার ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। এই টিকার আওতায় প্রায় দুই কোটি শিশু আসবে। এ বিশেষ ধরনের (ফাইজার) টিকা শিশুদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। দুই কোটি টিকার চাহিদা আমরা পাঠিয়েছি। আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেয়েছি। আমাদের ৩০ লাখ টিকা এরই মধ্যে এসেছে। মা-বাবাদের বলব, ৫-১২ বছরের শিশুদের জন্মনিবন্ধন করে নেবেন। জন্মনিবন্ধন দিয়ে টিকার রেজিস্ট্রেশন করে ফেলবেন, যাতে টিকা নিতে কোনো সমস্যা না হয়।
গতকাল সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা গড়পাড়া শুভ্রসেন্টারে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে ইফতার মাহফিলের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের এমন একটি দেশ, যেখানে প্রায় ৭৫ ভাগ জনগণকে টিকা দেয়া হয়েছে। টার্গেটের নির্দিষ্ট জনগণের ৯৫ ভাগ লোককে টিকা দেয়া হয়েছে। আমরা এরই মধ্যে প্রায় ২৫ কোটি ডোজ টিকা দিয়ে ফেলেছি। আমরা এখন বুস্টার ডোজ দিচ্ছি। যারা বুস্টার ডোজ নেননি তারা দ্রুত বুস্টার ডোজ নেবেন।
সরকারের সাফল্য নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকা দেয়ার সফলতার জন্য প্রধানমন্ত্রী ভ্যাকসিন হিরো হয়েছেন, এবার ভ্যাকসিন চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়েছে।
করোনার চতুর্থ ওয়েব প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে অধিকাংশ মানুষ টিকা নিয়েছেন, তাই চতুর্থ ওয়েব আমাদের দেশে সেভাবে আসবে না।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মহীউদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম।










