তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় গণভোট নিয়ে যে আলোচনা, বিতর্ক ও দ্বিমত চলছে—এটা অনেকটা অন্ধকারে না খুঁজে আলোতে খোঁজার মতো। আমরা সমস্যাটা যেখানে সৃষ্টি হয়েছে সেখানে সমাধান খুঁজছি না, বরং যেখানে আলো আছে সেখানে খুঁজছি।’

গতকাল রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘জুলাইয়ের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও নতুন সংসদের কাছে নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক নাগরিক সংলাপে বদিউল আলম মজুমদার এসব কথা বলেন। সংলাপের আয়োজক গণভোট বাস্তবায়ন নাগরিক ফোরাম।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘আমরা ভুলে যাই যে গত সরকারটি এসেছে গণ-অভ্যুত্থানের ভিত্তিতে, সংবিধানের ভিত্তিতে নয়। এই ঘটনার উৎপত্তি হয়েছে জনগণের সার্বভৌম অধিকারের ভিত্তিতে। সেই ভিত্তিতে একটি সরকার গঠিত হয়েছে, রাষ্ট্রপতির আদেশ জারি হয়েছে এবং গণভোটের মাধ্যমে মানুষ সেটাকে অনুমোদন করেছে। তাই সমাধানও খুঁজতে হবে সেখানেই। জনগণ এই আদেশকে অনুমোদন করেছে, একই সঙ্গে যে ৪৮টি বিষয়ে গণভোট হয়েছে সেটিও অনুমোদন করেছে। অর্থাৎ জনগণ তাদের সম্মতি দিয়েছে। জনগণ সরাসরি তাদের মতামত দিয়েছে। এটা কিন্তু গণপরিষদের মাধ্যমে পরোক্ষ মতামত নয়, জনগণ প্রত্যক্ষভাবে তাদের মতামত দিয়েছে। তাই এটিই চূড়ান্ত হওয়ার কথা। এখানে অন্য কোনো বিষয় উত্থাপন করার সুযোগ নেই।’

সংলাপে গণভোট বাস্তবায়ন নাগরিক ফোরামের সহসমন্বয়ক ফাহিম মাসরুরের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর আইনজীবী শিশির মনির, এবি পার্টির সভাপতি মুজিবুর রহমান মঞ্জু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান হাসনাত কাইয়ুম, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার ফুয়াদসহ রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। এছাড়া বক্তব্য দেন আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মী শহিদুল আলম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক দিলারা জামান, মানবাধিকার কর্মী রুবি আমাতুল্লাহ, নারী সংগঠক ফারহানা সূচি, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিব্বির আহমেদসহ অনেকে।