ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল থেকে পালিয়ে আসা সোনিয়া (৩৫) নামে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এক গৃহবধু ও তার স্বামীকে রাজবাড়ীর সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে রেখেছে জেলা পুলিশ। সেইসঙ্গে রাজবাড়ী সদর উপজেলার দাদশী ইউনিয়নের বক্তারপুর ও সমেশপুর নামে দুটি গ্রাম লকডাউন করেছে উপজেলা প্রশাসন। আজ বুধবার দুপুরে গ্রাম দুটি লকডাউন করা হয়।
রাজবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্বপন কুমার মজুমদার জানান, রাজবাড়ী সদর উপজেলার দাদশী ইউনিয়নের বক্তারপুর এলাকার বাসিন্দা এক পুলিশ সদস্যর স্ত্রী সোনিয়া আক্তার অ্যাপেন্ডিসাইটিস সমস্যায় চলতি মাসের ৩ তারিখে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অপারেশন করেন। এরপর ৪ তারিখে তাকে ঢাকায় সহরাওয়ার্দী হাসপাতলে স্থানান্তর করা হয়।
তিনি আরো জানান, সেখানে ওই নারী জ্বর সর্দিতে আক্তান্ত হলে তার করোনাভাইরাসের পরীক্ষা করানো হয়। এতে তাকে করোনাভাইরাস পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত করা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি এবং তার স্বামী হাসপাতাল থেকে পালিয়ে রাজবাড়ীতে চলে আসেন।
রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইদুজ্জামান খান বলেন, এ ঘটনার পর আমরা পুলিশ প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগিতায় তাদের স্বামী-স্ত্রীকে নিয়ে এসে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। পাশাপাশি তার নিজের বাড়ি ও শ্বশুর বাড়ি যে দুটি গ্রামে অবস্থান করেছে, সেই গ্রাম দুটি লকডাইন করেছি।
রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরুল আসলাম জানান, ওই রোগীর করোনা শনাক্ত হওয়ার পরই ঢাকা থেকে পালিয়ে এসেছেন। পরে তাদের ধরে এনে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে রাখা হয়েছে। এছাড়াও তাদের সংস্পর্শে আশা সকলকে হোম কোয়ারেনটাইনে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।










