বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল
কলেজের (শেবাচিম) উপাধ্যক্ষসহ ১২ চিকিৎসকের পদত্যাগ
দাবি করেছেন শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি হাসপাতালের ছয় ইন্টার্ন চিকিৎসকের
ইন্টার্নশিপ দুই বছরের জন্য স্থগিতের দাবি তোলেন শিক্ষার্থীরা। এসব চিকিৎসককে ক্যাম্পাস ও হাসপাতালে অবাঞ্ছিত
ঘোষণা করা হয়। এসব দাবিতে গতকাল দুপুরে নগরীর শেবাচিম ক্যাম্পাস ও হাসপাতালে বিক্ষোভ
করেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালকের কক্ষের সামনে অবস্থান নিয়ে দাবি পেশ করেন। শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালের পরিচালক ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম আট চিকিৎসককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। এছাড়া ছয় ইন্টার্ন চিকিৎসকের ইন্টার্নশিপ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এরপর শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ফিরে যান।
শিক্ষার্থীরা জানান, মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট সুদীপ কুমার হালদার, আবাসিক সার্জন মাসরেফুল ইসলাম সৈকত, মেডিকেল অফিসার শিরিন সাবিহা তন্নী, ইন্টারন্যাল মেডিকেল এএসএম সায়েম, হাসপাতালের সাবেক পরিচালক বাকির হোসেন, সাবেক অধ্যক্ষ এসএম সরোয়ার, উপাধ্যক্ষ জিএম নাজিমুল হক, সহকারী অধ্যাপক সৌরভ সুতারের পদত্যাগ দাবি করেছি। পাশাপাশি তাদের ক্যাম্পাস ও হাসপাতালে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া ইন্টার্ন চিকিৎসক মহসীন বিভা, আরিফুজ্জামান ইমন, সাদমান বাকির সাবাব, প্রীতম দেবনাথ, অর্ঘ্য বিশ্বাস ও আসিফুল ইসলামকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।










