সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে বাইক উল্টে আহত জিল্লুর রহমান (৪০) নামে এক যুবদল কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১টার দিকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তবে বিএনপির দাবি জিলুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে আগামীকাল বুধবার সিলেটে হরতাল ডেকেছে সিলেট জেলা যুবদল।
নিহত জিলু সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার মদন গৌরী এলাকার এলাই মিয়ার ছেলে ও গোলাপগঞ্জ যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপির ডাকা অবরোধ সফলে দশটি মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে মঙ্গলবার সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের লালাবাজারে অবস্থান নেন জিলু। এ সময় পুলিশ তাদের ধাওয়া দেয়। এক পর্যায়ে মোটরসাইকেলসহ পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন তিনি। এরপর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে পরবর্তীতে তার মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনায় জিলুর সহকর্মী সালাহউদ্দিন গুরুতর আহত হয়েছে। সালাহ উদ্দিন দক্ষিণ সিলাম ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক।
সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী জানান, অবরোধ কর্মসূচি পালন করতে সকালে মোটরসাইকেল নিয়ে দক্ষিণ সুরমার লালাবাজার যাযন গোলাপগঞ্জ যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য জিলু। এ সময় পুলিশের একটি গাড়ি ধাওয়া দেয়। এতে ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হন দুজন। পরে জিলুকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আনা হয়। বেলা দুইটার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যুর খবর আসে।
সিলেট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদ জানান, জিলুকে গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়। এরপর তার মৃত্যুর খবর এসেছে। জিলুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তবে জিলুকে আটকের অভিযোগ অস্বীকার করে সিলেট মহানগর পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ বলেন, সকালে জিলুসহ কয়েকজন লালাবাজার এলাকায় পিকেটিং করছিলেন। এসময় পুলিশ তাদের ধাওয়া দেয়। ধাওয়া খেয়ে দ্রুত পালানোর সময় জিলু মোটরসাইকেল একটি গাছের সাথে ধাক্কা খায়। এতে দুজন আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জিলু মারা যান।










