সাফল্যের সঙ্গে তিন মাসের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে ব্যবসায়িক প্রস্তাবনার জন্য ‘বিজনেস প্ল্যান পিচ কম্পিটিশন’ জয়ী হয়েছেন ছয় জন নারী উদ্যোক্তা। বিজয়ীদের প্রত্যেকের হাতে ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দেয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের অর্থায়নে পরিচালিত একাডেমি ফর উইমেন অন্ট্রাপেনারস (এডব্লিউই) প্রোগ্রামের অধীনে তিন মাসের এ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে স্নাতক হয়েছেন ৯০ জন নারী উদ্যোক্তা। তারা যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত এডব্লিউই প্রোগ্রামের দ্বিতীয় পর্যায় সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। অনুষ্ঠানে পুরষ্কার বিতরণীর পাশাপাশি ছিল মেলা এবং প্রদর্শনীর আয়োজন।
রোববার (১৭ নভেম্বর) ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কিন দূতাবাস এ সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মেগান বোল্ডিন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন, যা জেন্ডার অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং দেশের ধর্মীয় ও অন্যান্য সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলোর জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা সফল নারী উদ্যোক্তাদের কৃতিত্বকে সম্মান জানানো হয়, যারা যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত এডাব্লিউই প্রোগ্রামের দ্বিতীয় পর্যায় সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। এই উদ্যোক্তারা সিলেট, কুমিল্লা, বরিশাল, খাগড়াছড়ি, যশোর, চট্টগ্রাম এবং ঢাকাসহ সারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
অনুষ্ঠানে ছয়জন সেরা বিজয়ী তাদের ব্যবসায়িক প্রস্তাবনার জন্য পুরস্কৃত হন। এডব্লিউই প্রোগ্রামের সব পর্যায়ের ১৪০ জন অংশগ্রহণকারীর মধ্যে ব্যবসায়িক প্রস্তাবনা প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য অতিরিক্ত ৩০ হাজার ডলার অনুদান দেয়া হবে বলে জানানো হয়। অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিতরণীর পাশাপাশি ছিল মেলা এবং প্রদর্শনীর আয়োজন। যেখানে অংশগ্রহণকারীরা তাদের তৈরি পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করেন। অংশগ্রহণকারীদের অনেকেই প্রান্তিক ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী থেকে এসেছেন, তাদের দৃঢ়তা ও সংকল্প তাদের উদ্যোক্তা যাত্রায় প্রতিফলিত হয়েছে।
মার্কিন দূতাবাস জানায়, এডব্লিউই প্রোগ্রাম, যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের একটি বৈশ্বিক উদ্যোগ, যা নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবসায়িক জ্ঞান ও দক্ষতা সরবরাহ করে। এ বছরের কোহোর্টে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের ৯০ জন অংশগ্রহণকারী অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, যেখানে প্রাধান্য দেয়া হয়েছিল আদিবাসী, সংখ্যালঘু এবং আর্থিকভাবে সুবিধাবঞ্চিত পটভূমি থেকে আসা নারীদের।










