ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ‘কোভিশিল্ড’
করোনার (কভিড-১৯) টিকা ক্রয় ও এর প্রয়োগসংক্রান্ত খরচ মেটাতে ইতোমধ্যে দুই দফায় ১ হাজার ৫৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা ছাড় করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। সে সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চাহিদা থাকলেও আপ্যায়ন ব্যয়সহ বেশ কয়েকটি খাতে কোনো বরাদ্দ দেয়া হয়নি। তবে আপ্যায়ন এবং প্রচার ও বিজ্ঞাপন ব্যয়ে অর্থ প্রয়োজন উল্লেখ করে আবারো প্রায় ১০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে অধিদপ্তর। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম বণিক বার্তাকে বলেন, আমরা সুনির্দিষ্টভাবে হিসাব করেই টিকা প্রদান কার্যক্রমে জড়িতদের দৈনিক খাবারের জন্য অর্থ চেয়েছি। আমরা এক্ষেত্রে এক পয়সাও বেশি চাইনি। একজন মানুষের জন্য যতটুকু না হলেই নয়, তত পরিমাণে টাকা চাওয়া হয়েছে। এতে সরকারি লোকবলের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকও নিয়োজিত রাখা হয়েছে। তাদের ন্যূনতম খাবারের টাকা না দিলে বিষয়টি অমানবিক হয়। তাই এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। টিকা নেয়ার ক্ষেত্রে মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি ও গুজব রোধে প্রচারণা চালাতে হয়। এতে যে পরিমাণ খরচ হওয়ার কথা ঠিক সে পরিমাণই অর্থ চাওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ২৭ জানুয়ারি অর্থ বিভাগে বরাদ্দ চেয়ে চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। চিঠিতে বলা হয়, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে কভিড-১৯ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন ক্রয়ের জন্য অর্থ বিভাগের অপ্রত্যাশিত খাত থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুকূলে ১০৪ কোটি ৮২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা বরাদ্দ প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। এক্ষেত্রে আপ্যায়ন ব্যয় বাবদ বরাদ্দ চাওয়া হয় ৮৯ কোটি ৮৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এছাড়া প্রচার ও বিজ্ঞাপন ব্যয় বাবদ বরাদ্দ চাওয়া হয় ১৪ কোটি ৯৭ লাখ ৩৮ হাজার টাকা।
এ অর্থ বরাদ্দের যৌক্তিকতা উল্লেখ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিঠিতে বলা হয়, টিকাদান কর্মসূচিতে ৪৪ হাজার ৫৬৪ জন কর্মী প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অবস্থান করে টিকা প্রদান করবেন। টিকাদান টিমের অধিকাংশই স্বেচ্ছাসেবক, যারা সরকরি বেতনভুক্ত কর্মচারী নন। তাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে।










