তবে বিজিবির তাৎক্ষণিক প্রতিরোধে সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গতকাল ভোরে এ ঘটনা ঘটে। ওই তিন নারী বর্তমানে ভারতীয় সীমান্তের শূন্যরেখায় রয়েছেন।
সীমান্ত সূত্র, বিজিবি ও স্থানীয়রা জানান, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের প্রধান পিলার ৮৩৩ নম্বরের উপপিলার ৯ নম্বরের একদিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার গোলাপাড়া গ্রামের সীমান্ত এলাকা। অন্যদিকে বাংলাদেশের লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের উফারমারা ষোলঘড়িয়া সীমান্ত এলাকা। গতকাল ভোরে এ সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার গেট (ফটক) খুলে ভারতের ৯৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের খড়খড়িয়া বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা তিন নারীকে বাংলাদেশের দিকে পুশ ইন করেন। সকালে এ ঘটনা বুঝতে পেরে এলাকাবাসী ৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ধবলসুতি ক্যাম্পের টহল দলকে খবর দেন। পরে বিজিবি ও স্থানীয়রা মিলে পুনরায় ওই তিন নারীকে ভারতীয় সীমান্তের শূন্যরেখায় ফেরত পাঠান। বর্তমানে তারা ভারতীয় সীমান্তের প্রায় ১০০ গজ অভ্যন্তরের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।
এ ব্যাপারে বিজিবি ৬১ ব্যাটালিয়নের (তিস্তা-২) সহকারী পরিচালক (এডি-অবস) কারিমুল ইসলাম বলেন, ‘ধবলসুতি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকা দিয়ে বিএসএফ তিন নারীকে পুশ ইনের চেষ্টা করলে বিজিবির টহল দল স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়ে তা ব্যর্থ করে দেয়। এ বিষয়ে ৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক প্রতিপক্ষ ৯৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের মধ্যে মুঠোফোনে কথা হয়েছে। সীমান্তে অবস্থান করা পুশ ইনের শিকার ওই তিন নারীকে দ্রুত সরিয়ে নেয়ার কথা বলা হয়েছে। বর্তমানে সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার রয়েছে।’










