মাতারবাড়ী আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ার্ড পাওয়ার প্রজেক্টের (আরএইচডি পার্ট) পরিচালক জাহাঙ্গীর আলমের নামে বিভিন্ন ব্যাংক ও নন ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ৮২টি অ্যাকাউন্টের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব অ্যাকাউন্টে ১৩৮ কোটি ৩১ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। অ্যাকাউন্টগুলোতে বর্তমানে ৩০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা জমা রয়েছে। এসব টাকা ও অ্যাকাউন্টগুলো অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন। গত ১৪ অক্টোবর দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুল হাসান আদালতের কাছে এই আবেদন করেন। তিনি জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করছেন।

আদালতের আদেশ ও দুদক সূত্রে জানা গেছে, এসব হিসাবে টাকা জমা করা যাবে, তবে কোনো অবস্থাতেই উত্তোলন করা যাবে না মর্মে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর এমডি, সিইও ও ইনচার্জকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। ২০১২ সালের ৪ জুলাই থেকে ২০২৪ সালের ১৪ মে পর্যন্ত সময়ে তিনি এসব অ্যাকাউন্টে ১৩৮ কোটি ৩১ লাখ টাকার লেনদেন করেছেন। ব্র্যাক ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও আইডিএলসি ফাইন্যান্সে এসব হিসাব খোলা ও লেনদেন করা হয়েছে। জাহাঙ্গীর আলম আয়কর নথিতে ৪ কোটি ১০ লাখ টাকার নিট সম্পদ প্রদর্শন করেছেন।

তার এসব অ্যাকাউন্ট অবরুদ্ধ ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চেয়ে জাহাঙ্গীর আলমের মোবাইল নম্বরে কল করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

দুদক সূত্র জানিয়েছে, তিনি এখনো মাতারবাড়ী আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ার্ড পাওয়ার প্রজেক্টের (আরএইচডি পার্ট) পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।