মুন্সিগঞ্জে
পদ্মা সেতু টোল প্লাজায় কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধের
চেষ্টা করেন। তবে পুলিশের বাধায় তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। এ সময় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির
ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েক রাউন্ড শর্টগানের ফাঁকা গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের
শেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। এছাড়া মুন্সিগঞ্জ শহরের সুপার মার্কেট এলাকায় শিক্ষার্থীদের
ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে
এসব ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়,
বেলা ১১টার দিকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পদ্মা সেতু টোল প্লাজায় জড়ো
হতে থাকেন। পরে তারা মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করেন। এ সময়
মহাসড়কে প্রায় আধা ঘণ্টা যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। পরে শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন। বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে পদ্মা সেতু উত্তর থানায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ
করেন তারা।
পুলিশ সুপার
মো. আসলাম খাঁন জানান, শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নিতে চাইলে তাদের ছত্রভঙ্গ করে
দেয় পুলিশ। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ফাঁকা গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।
অন্যদিকে
বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শহরের সুপার মার্কেট এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের
ভাস্কর্য অঙ্কুরিতযুদ্ধ চত্বরে অবস্থান নিয়ে কোটাবিরোধী স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময়
সড়কের অন্যপাশে অবস্থান নেয়া ছাত্রলীগ কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে
হামলা করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন বলে দাবি করেছেন শিক্ষার্থীরা।
পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
মুন্সিগঞ্জ
সদর থানায় ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, শিক্ষার্থীরা সড়কে অচলাবস্থা সৃষ্টি করে। এতে একপাশে
যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে কে বা কারা হামলা করেছে বিষয়টি নিশ্চিত নন তারা। এতে
কয়েকজন আহত হয়েছেন।










