বড় ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানকে হত্যার অভিযোগ তুলে ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ছোট বোন শাযরেহ হক। তিনি মনে করেন, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ওয়ারিশ থেকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে আরশাদ ওয়ালিউর রহমানকে বিষ প্রয়োগ বা শ্বাসরোধে হত্যা করেছে, যা আসামিদের আচরণে প্রকাশ পেয়েছে। গতকাল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার রিফাত রহমান শামীম এ মামলার তথ্য নিশ্চিত করেন।
অভিযোগের বিষয়ে বণিক বার্তাকে তিনি জানান, আরশাদ ওয়ালিউর রহমান গত বছরের ১৬ জুন রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে মারা যান। এ ঘটনায় ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত লতিফুর রহমানের ছোট মেয়ে শুক্রবার রাতে গুলশান থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। সেখানে তিনি অভিযোগে করেছেন যে, তার বড় বোন সিমিন রহমানসহ আসামিরা তার বড় ভাইকে বিষ প্রয়োগ এবং শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন—সিমিন রহমানের ছেলে যারাইফ আয়াত হোসেন, এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপক ডা. মুরাদ এবং পরিচালক (বিপণন ও বিক্রয়) ডা. মো. মুজাহিদুল ইসলাম, ট্রান্সকম গ্রুপের পরিচালক (অর্থ) কামরুল হাসান, আইন কর্মকর্তা মো. ফখরুজ্জামান ভুঁইয়া, ব্যবস্থাপক (করপোরেট অ্যাফেয়ার্স) কেএইচ মো. শাহাদত হোসেন, কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন ও সেলিনা সুলতানা এবং গ্রুপের কর্মচারী রফিক ও মিরাজুল।
এর আগে কোম্পানির সম্পত্তি ও শেয়ার-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বড় বোন ও গ্রুপের বর্তমান চেয়ারম্যান মা শাহনাজ রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন শাযরেহ। তাতে আরো অনেককে আসামি করা হয়। ওই মামলায় বিশ্বাসভঙ্গ, জালিয়াতি ও দলিল জালের মাধ্যমে শাযরেহ ও তার প্রয়াত ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানকে ১০ হাজার কোটি টাকা মূল্যের পারিবারিক সম্পত্তির ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ করা হয়। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এরই মধ্যে মামলার আসামি ট্রান্সকম গ্রুপের পাঁচ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে।










