সিলেটের বিভিন্ন স্থান থেকে সবজি আসে নগরীর কালিঘাট, কাজির বাজার, ট্রেড সেন্টার ও নওয়াব আলী মার্কেটে। এখান থেকে সেগুলো সরবরাহ করা হয় ঢাকায়। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অন্য ভোগ্যপণ্য আসে সিলেটে। নিত্যপ্রয়োজনীয় এসব পণ্য পরিবহনে পথে পথে হয়রানির শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ গাড়িচালকদের। কখনো চাঁদাবাজি আবার কখনো সবজিবোঝাই ট্রাক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এসব ঘটনায় উদ্বিগ্ন তারা। সমস্যা সমাধানে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। রাজনৈতিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির ঘটনায় আতঙ্কিত তারা। এ অবস্থা চলতে থাকলে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দেন ব্যবসায়ী নেতারা।

সিলেটের প্রধান কাঁচাবাজার সোবহানিঘাটের নোয়াব আলী মার্কেট। সেখানকার ব্যবসায়ী কাজী মাসুদ জানান, বাজারে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে সবজি নিয়ে আসা হয়। জৈন্তাপুর থেকে সবজি নিয়ে আসার পথে বটেশ্বর পেরিয়ে এলে, এয়ারপোর্ট এলাকা থেকে কিংবা টুকেরবাজার থেকে গাড়িকে অনুসরণ করা হয়। সুবিধা মতো জায়গায় এসে গাড়ি ছিনতাই করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। অনেক সময় পুরো গাড়ি নিয়ে নেয়; আবার কখনো টাকা নেয়। এভাবে চলতে থাকলে কাঁচামালের সংকট দেখা দেবে।

এ বিষয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বণিক বার্তাকে বলেন, ‘রোববার সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কশিনারসহ আমরা বৈঠকে বসেছিলাম। এতে নগরীর যানজটসহ সার্বিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সম্প্রতি চাঁদাবাজি একটি ব্যধিতে রূপ নিয়েছে। চাঁদাবাজ যেই হোক তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’