ট্রাফিক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঢাকা শহরের প্রতিটি সড়ক ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমিতে এ কথা বলেন তিনি।
নিরাপদ সড়ক চাইয়ের নবম মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, প্রথমে ঢাকা শহরের প্রতিটি সড়কে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। এরপর চট্টগ্রাম ও রাজশাহীর সড়কগুলোতেও বসানো হবে ক্যামেরা। ট্রাফিক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রায় সব কাজে বিশেষ সুবিধা পাওয়া যাবে এসব ক্যামেরায়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার শিকার ৫৪ শতাংশের বয়স ১৬ থেকে ৪০ বছর। তাদের সিটবেল্ট বাঁধারও সময় নেই। চালকের পাশের জন তো বাঁধেনই না। তাছাড়া দ্রুতগতিতে যারা মোটরসাইকেল চালান, তাদের অধিকাংশই যুবক। এসব যুবকরা সঠিক গতিতে গাড়ি চালাচ্ছেন না। সবাই সচেতন হলে দুর্ঘটনা কমবে, মৃত্যুহার কমবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আসাদুজ্জামান খান বলেন, ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিষয়ে সরকার আরো কঠোর হচ্ছে। পরিবহন মালিকেরা তাদের গাড়ি চালানোর সময়সীমা বেঁধে দিতে পারেননি। সড়ক ও মহাসড়ক কেমন হবে, তার নীলনকশা করে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেগুলো বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সাধারণত শহরে ২৫ শতাংশ সড়ক থাকতে হয়। কিন্তু ঢাকায় রয়েছে মাত্র ৯ শতাংশের মতো। তাছাড়া রাস্তায় পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও নেই, তারপরও অনেকে গাড়ি রেখে দেন। তখন অন্যান্য গাড়ি নির্দিষ্ট গতিতে চলতে পারে না।
দুর্ঘটনার জন্য অনেকে পরিবহন শ্রমিকদের দিকে আঙুল তোলে জানিয়েছে মন্ত্রী বলেন, পথচারীরা ফোনে কথা বলতে বলতে রাস্তা পার হন। এতে করে অনেকে দুর্ঘটনার শিকার হন। নিজেদের বদলাতে হবে। আইন মানার অভ্যাস করতে হবে।










