গতকাল রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ১০৬ জন পথচারী, যা মোট প্রাণহানির ২৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ। এছাড়া জুলাইজুড়ে ১৫৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে ১৩৮ জন। মোট দুর্ঘটনার ৩৪ দশমিক ৭১ শতাংশই মোটরসাইকেল সংশ্লিষ্ট, মোট প্রাণহানির ৩৩ দশমিক ১৭ শতাংশ ঘটেছে এসব দুর্ঘটনায়।

যানবাহনভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, থ্রি-হুইলার দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৯৪ জন, বাস দুর্ঘটনায় ২১, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, পিকআপ ও ট্রলি দুর্ঘটনায় ১৯, নসিমন, ভটভটি ও অন্যান্য স্থানীয় যানবাহনের দুর্ঘটনায় ২৬, মাইক্রোবাস ও অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় সাত এবং রিকশা ও বাইসাইকেল দুর্ঘটনায় পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছে।

সড়কের ধরন অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে জাতীয় মহাসড়কে। মোট ১৬৯টি দুর্ঘটনা বা ৩৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ১৫৫টি বা ৩৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ আঞ্চলিক সড়কে, ৬৬টি বা ১৪ দশমিক ৪১ শতাংশ শহরের সড়কে, ৬১টি বা ১৩ দশমিক ৩১ শতাংশ গ্রামীণ সড়কে এবং সাতটি দুর্ঘটনা অন্যান্য স্থানে ঘটেছে।

সবচেয়ে বেশি ২৮ দশমিক ৮২ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে সকালে। রাতে ১৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ, দুপুরে ১৭ দশমিক ২৪, বিকালে ১৪ দশমিক ৮৪, সন্ধ্যায় ১২ দশমিক ২২ ও ভোরে ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ দুর্ঘটনা। বিভাগভিত্তিক হিসাবে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি উভয় ক্ষেত্রেই শীর্ষে ঢাকা বিভাগ। এ বিভাগে ১৩৩টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ১২৫ জন।