প্রবাসীদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের কথা চিন্তা করছে নির্বাচন সংস্কার কমিশন। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন সংক্রান্ত সুপারিশমালা সরকারের কাছে জমা দেবে সংস্কার কমিশন।

আজ বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) নির্বাচন ভবনে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার।

এ সময় নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের নতুন সদস্য শিক্ষার্থী প্রতিনিধি সাদিক আল আরমানকেও পরিচয় করিয়ে দেন তিনি। আরমান ইস্টওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী। আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ছিলেন।

প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভোটাধিকারের বিষয়টি সংস্কারের অন্যতম পদক্ষেপ বলেও উল্লেখ করে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘আমরা প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলাপ করেছি। দেড় কোটি থেকে দুই কোটি প্রবাসী বাংলাদেশী আছে। তাদেরকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে যদি না পারি বা তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত না হয়, তাহলে বিরাট জনগোষ্ঠী ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। আমরা চেষ্টা করব, ওটা অনেক চ্যালেঞ্জিং। তাদের (অংশীজন) মতামত নিয়েছি। কীভাবে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা যায়, জানার চেষ্টা করেছি। তার ভিত্তিতে আমরা কতগুলো সুপারিশ করব।’

কমিশন এ পর্যন্ত ১২টি সভা করেছে জানিয়ে বদিউল আলম বলেন, ‘ফরমালি, ইনফরমালি আরো আলাপ-আলোচনা করেছি। অনেক আইন, বিধিবিধান পর্যালোচনা করছি। এর ভিত্তিতে আমরা যে ইস্যুগুলো চিহ্নিত করব, তার ভিত্তিতে বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নেব। মতামত নেয়ার পর আমরা সরকারকে সুপারিশ দেয়ার জন্য প্রস্তুত হব।’

সংস্কার প্রস্তাব তৈরিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কমিশন বসবে কিনা, এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাজটা হলো কারিগরি। তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের কিছু নেই। কারণ, আমাদের কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের এখতিয়ার নেই। আমার মনে হয় না বসার দরকার আছে। এখানে সুস্পষ্ট ধারণাগুলো দরকার। আমরা সাধারণ বক্তব্য চাই না, সুস্পষ্ট মতামত চাই।’