এ অর্থ পরিশোধের ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি (বিপিএম৬) অনুযায়ী, এর পরিমাণ ৩০ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ৫ মার্চ দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৫ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি (বিপিএম৬) অনুযায়ী, এর পরিমাণ ছিল ৩০ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলার।
এর আগে ২৫ ফেব্রুয়ারি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৫ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ডলার। বছরের শুরুতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৩ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলার। দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) প্রবাহ বৃদ্ধি ও বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার ধরে রাখতে ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কেনার কারণে রিজার্ভের পরিমাণ বাড়তে থাকে। সবশেষ ৫ মার্চ দেশের গ্রস রিজার্ভ ৩৫ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে।
আকু হলো এশিয়ার কয়েকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যকার একটি আন্তঃআঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে এ অঞ্চলের নয়টি দেশের মধ্যে যেসব আমদানি-রফতানি হয়, তার মূল্য দুই মাস পরপর নিষ্পত্তি করা হয়। অন্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি-রফতানিসংক্রান্ত লেনদেন তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন হয়। আকুর সদস্য দেশগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ।










