তিনি বলেছেন, ‘এদেরকে আইনের আওতায় নেয়ার পর অল্পদিনের মধ্যে বের হয়ে আবার তারা একই অপরাধের সঙ্গে জড়িত হয়। আমি বলেছি, ওরা জামিনে আসার পর প্রতি সপ্তাহে ওসির কাছে গিয়ে হাজিরা দেবে যে স্যার, আমি ভালো হয়ে চলতেছি। এ প্রক্রিয়াটা আমরা শুরু করেছি।’

বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারক করতে মোহাম্মদপুর এলাকায় যান তিনি। পরে মোহাম্মদপুর থানা পরিদর্শনে গিয়ে আলী হোসেন ফকির বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এক নম্বর অ্যাসাইনমেন্ট—সমাজে মাদক থাকবে না। মাদকে আমাদের পুরো একটা জেনারেশন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে আপনারা সবাই সহযোগিতা করবেন।’

পুলিশের পোশাক পরিবর্তন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ‘পুলিশ সার্ভিসের ফিল্ড লেভেল পর্যন্ত সবাই চাচ্ছে একটা ভিজিবল পোশাক। আমরা যখন বাইরে ডিউটি করতে যাই, পুলিশের পোশাকটা ওইভাবে মানুষের চোখে পড়ে না। সরকার এ বিষয়ে অবগত রয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘শুধু পোশাক না, পুলিশে আমাদের মনের পরিবর্তন করতে হবে। যত ভালো পোশাকই দেন না কেন, তাদের হৃদয়টা যদি প্রকৃত সেবক হিসেবে কাজ করতে না চায়, তাহলে পোশাক পরিবর্তন করেন আর যাই করেন কাজ হবে না।’

সড়ক দখল করে বিভিন্ন দোকানপাট বসানোর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আলী হোসেন ফকির বলেন, ‘আগে দেখেছি, এলাকার প্রভাবশালী লোক এবং আমাদের প্রশাসনেরও দুর্নাম আছে, জয়েন্টলি তারা এখান থেকে চাঁদা তোলে, এজন্য এগুলো ক্লিন হয় না। আমরা হলিডে মার্কেট করে দিতে চাই। সরকারের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার যারা আছে, তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে আমি চাই এলাকায় এলাকায় হলিডে মার্কেট করে দেব।’