চাঁদপুরে সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে না খেজুর। বিক্রি হচ্ছে
বেশি দামে। সেজন্য রমজান শুরুর আগ থেকেই দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে ইফতারে বহুল ব্যবহৃত
দুই ধরনের খেজুরের দাম বেঁধে দিয়েছিল সরকার। কিন্তু এ দামে খেজুর বিক্রি করছেন না ব্যবসায়ীরা।
সোমবার (১১ মার্চ) সরকার অতি সাধারণ খেজুরের দাম কেজিপ্রতি ১৫০ থেকে
১৬৫ টাকা এবং বহুল ব্যবহৃত জাইদি খেজুরের দাম কেজিপ্রতি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা নির্ধারণ
করে দেয়।
বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) সরেজমিন দেখা যায় চাঁদপুর শহরের বাজারে কালীবাড়ী,
পালবাজার, বাবুরহাট, ওয়্যারলেস, নতুন বাজার, পুরানবাজার সরকারের বেঁধে দেয়া দাম থেকে
বেশি দামে খেজুর বিক্রি করছে। উক্ত বাজারে সরকারের এ নির্দেশনা মেনে চলার কোনো প্রতিফলন
দেখা যায়নি। বিক্রেতারা বলছেন, সরকার নির্ধারিত দামে খেজুর বিক্রি করলে তাদের লোকসান
হবে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, নিম্নমানের (গালা) বাংলা খেজুর ২২০ টাকায় বিক্রি
হচ্ছে। ২২০ টাকার নিচে কোনো খেজুরই নেই। মাঝারি মানের খেজুর কিনতেও গুনতে হচ্ছে ৪০০
থেকে ৫০০ টাকা। অতি সাধারণ ও নিম্নমানের খেজুর হিসেবে পরিচিত বাংলা খেজুর দোকানভেদে
বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৫০ টাকায়। আর ইরাকের জাইদি খেজুর কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩০০
থেকে ৪০০ টাকায়। তবে বেশি বিক্রি হচ্ছে বাংলা গালা খেজুর ২২০ টাকা দামে।
জানা যায়, গত বছরের তুলনায় এবার সব ধরনের খেজুরের দাম কেজিতে অন্তত
১০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
পালবাজারের খেজুর ব্যবসায়ী তপন জানান, এভাবে দাম বেঁধে দেয়া ঠিক হয়নি।
দাম বেঁধে না দিয়ে সরকার টিসিবির মাধ্যমে খেজুর আমদানি করে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারত।










