বগুড়ায় ২৮ হাজার টন ধান ও চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে খাদ্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে সাত হাজার টন ধান এবং ২১ হাজার টন চাল। ডিজিটাল খাদ্যশস্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনা সিস্টেমের মাধ্যমে গতকাল ধান ও চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে। জেলা শহরের চকসূত্রাপুর এলাকার এলএসডি গুদামে অভিযানের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম।

জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষক এবং মিল মালিক উভয়ই যাতে ন্যায্য মূল্য পান, সে দিকটি বিবেচনায় নিয়ে সরকার ৩০ টাকা কেজি দরে ধান ও ৪৪ টাকা কেজি দরে চাল ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারি নিয়ম বা নির্দেশনাবহির্ভূত ধান ও চাল যারা ক্রয় করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। কৃষক যাতে গুদামে ধান নিয়ে এসে হয়রানির শিকার না হয় সেটি কৃষি ও খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের নিশ্চিত করতে হবে।’

বগুড়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী সাইফুদ্দিন জানান, বগুড়ায় এবার ৭ হাজার ৪৩ টন ধান এবং ২১ হাজার ২৫৭ টন সিদ্ধ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বগুড়ার ১২টি উপজেলায় কৃষকের অ্যাপের মাধ্যমে ধান সংগ্রহ করা হবে। উদ্বোধনী দিনে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি তিন টন ধান ও চুক্তিবদ্ধ মিল মালিকদের কাছ থেকে ৫৬ টন চাল সংগ্রহ করা হয়। ২০২৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ সংগ্রহ অভিযান চলবে।

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মতলুবর রহমান জানান, বগুড়ায় আলুর পরই ধান সবচেয়ে বেশি চাষ হয়। জেলার ১২টি উপজেলায় এ বছর আমনের ভালো ফলন হয়েছে। জেলায় চলতি মৌসুমে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫১০ হেক্টর জমি থেকে নয় লাখ টন ধান পাওয়া যাবে।