বাগেহাটের মোরেলগঞ্জে ঘুমন্ত মায়ের পাশ থেকে নবজাতক চুরি ও হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার শিশুটির বাবা সুজন খানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার বিকালে মোরেলগঞ্জ থানা পুলিশ সুজনকে আদালতে সোপর্দ করলে বাগেরহাট সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-২-এর বিচারক সমির মল্লিক এ আদেশ দেন।
তবে পুলিশ সুজন খানের সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করলে সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেননি আদালত।
তথ্যটি নিশ্চিত করে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় জানান, হত্যার রহস্য উদঘাটন ও হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে সুজনের ছোট ভাই রিপন খান (২৫) ও ভগ্নিপতি হাসিব শেখের (৩০) ডিএনএ টেস্ট করা হবে।
এর আগে বুধবার বিকালে নবজাতক হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার বাবা সুজন খান, চাচা রিপন খান ও ফুফা হাসিব শেখকে হেফাজতে নেয় মোরেলগঞ্জ থানা পুলিশ।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্ত শেষে আমরা জড়িত সন্দেহে শিশুটির বাবা সুজন খানকে গ্রেফতার করেছি। সুজনের ছোট ভাই ও ভগ্নিপতির ডিএনএ টেস্ট করা হবে। হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন করতে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
গত রোববার (১৫ নভেম্বর) রাতে মোরেলগঞ্জ উপজেলার গাবতলা গ্রামে বাবা সুজন খান ও মা শান্তা আক্তারের সঙ্গে ঘুমিয়ে ছিল ১৭ দিন বয়সী সোহানা। মধ্য রাতে ঘুম ভেঙে তারা দেখেন শিশুটি নেই। ভোর থেকে পুলিশের একাধিক টিম শিশুটিকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করলেও কোনো কূল-কিনারা করতে পারছিল না। সোমবার রাতে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মোরেলগঞ্জ থানায় মামলা করেন শিশুটির দাদা আলী হোসেন খান। বুধবার ভোরে নামাজের পর নিজ ঘরের সামনের পুকুরে নাতির মরদেহ ভাসতে দেখেন আলী হোসেন। পরে পুলিশ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।










