কক্সবাজারের মহেশখালী থেকে সাগরের তলদেশ দিয়ে নির্মিত পাইপলাইন দিয়ে (এসপিএম) প্রায় ৬০ হাজার লিটার ক্রুড অয়েল চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডে (ইআরএল) পরিবহন শুরু হয়েছে। গত শনিবার সকাল ৮টার সময় পাম্পিং করার পর গতকাল দুপুর ১২টার সময় জ্বালানি ইআরএলে এসে পৌঁছয়। মহেশখালী থেকে সম্পূর্ণ এ জ্বালানি এসে পৌঁছতে চার-পাঁচদিন লাগতে পারে। সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিংয়ের (এসপিএম) ডাবল পাইপলাইন প্রকল্পের দ্বিতীয় পাইপলাইন দিয়ে এ অপরিশোধিত জ্বালানি তেল (ক্রুড অয়েল) পরিবহন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার কাজ চলছে বলে জানায় ইআরএল কর্তৃপক্ষ।
ইআরএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ লোকমান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘শনিবার সকালে মহেশখালী ট্যাংক টার্মিনাল থেকে ক্রুড অয়েল পাম্পিং করা হলে রোববার (গতকাল) দুপুর ১২টায় ইআরএলে এসে পৌঁছয়। সম্পূর্ণ তেল পৌঁছতে চার-পাঁচদিন লাগতে পারে। আমরা এ জ্বালানি তেল পরিবহনের সময়সীমা কমানোর চেষ্টা করছি। পাইপলাইনের প্রেসার বাড়ানো গেলে কম সময়ে জ্বালানি তেল পরিবহন করা যাবে।’
ইআরএল সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের নভেম্বরের শেষে সৌদি আরব থেকে ৮২ হাজার টন অ্যারাবিয়ান লাইট ক্রুড অয়েল ও ৬০ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হয়। এরই মধ্যে ডিজেল পরিবহন সম্পন্ন হয়েছে। এখন ক্রুড অয়েল পরিবহন শুরু হলো। মূলত এসপিএম প্রকল্পে মোট পাইপলাইনের দূরত্ব ১১০ কিলোমিটার।
এর মধ্যে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর থেকে মহেশখালী পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার এবং মহেশখালী থেকে ইস্টার্ন রিফাইনারি পর্যন্ত সাগরের তলদেশে স্থাপন করা হয়েছে ৯৪ কিলোমিটারের দুটি পাইপলাইন। এ প্রকল্প নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৭ হাজার ১২৪ কোটি টাকা।










