১২ আগস্ট খুলনার বয়রার বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্র থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় কুমিরটিকে কক্সবাজারে পাঠানো হয়। বন বিভাগের তথ্যমতে, কুমিরটির দৈর্ঘ্য ৭-৮ ফুট ও ওজন ৪০০-৫০০ কেজি। জানা গেছে, ২০০৫ সালে এখানে ভারত থেকে আনা কয়েকটি কুমিরের মধ্যে বর্তমানে এটিই জীবিত। সময়ের ব্যবধানে অন্য কুমিরগুলো মারা গেলেও টিকে রয়েছে শুধু ‘ধলাপাহাড়’। বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, খুলনা কার্যালয়ের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) নির্মল কুমার পাল জানান, গত ৩ জুন বাগেরহাটের দিঘি থেকে মাদি কুমিরটিকে খুলনার বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে আনা হয়।
‘ধলাপাহাড়’ কুমিরটি এখন কক্সবাজারের সাফারি পার্কে
বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.) দিঘির কুমির ‘ধলাপাহাড়’কে খুলনা থেকে কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে নেয়া হয়েছে।










