গতকাল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর রুল ২৮(৪) অনুসারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সংশ্লিষ্ট দাপ্তরিক তথ্য প্রেস, মিডিয়া অথবা অন্য কোনো মাধ্যমে প্রচার ও প্রদানের ক্ষেত্রে মাহদী আমিন ও আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ (শিবলী) মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গঠিত বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে মাহদী আমিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেছেন। নির্বাচনের সময় তিনি গুলশানে দলের নির্বাচনী কার্যালয়ে নিয়মিত বিভিন্ন বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরেন।

মাহদী আমিন শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান, যুব ও নারীর ক্ষমতায়ন এবং বিএনপির ৩১ দফার ভিত্তিতে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও রাষ্ট্রীয় সংস্কার বিষয়ে দেশে বিভিন্ন সভা, সেমিনার, কর্মশালা, সমাবেশ ও নীতিপ্রণয়নে অবদান রেখেছেন।

২০১৪ সালে তিনি বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা হন। ২০২৪ সালে মাহদী আমিন বিএনপির ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দক্ষিণ এশিয়ার আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নীতিমালার সঙ্গে যুক্ত মাহদী আমিন দীর্ঘদিন ধরে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাজ করছেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ছালেহ শিবলী কর্মজীবনে বার্তা সংস্থা ইউএনবি, দৈনিক মানবজমিন, বাংলাবাজার পত্রিকা, চ্যানেল আইসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। তিনি ১৯৯৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং ২০০৪ সালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তারেক রহমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থাকাকালেও তার প্রেস সচিব ছিলেন ছালেহ শিবলী। চার দলীয় জোট সরকারের সময় তিনি কলকাতা উপ-হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি (প্রেস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কয়েক দশক ধরে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে কাজ করছেন।