সুন্দরবনে লাগা আগুন পুরোপুরি নিভে গেছে। এক্ষেত্রে সহায়ক হয়েছে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানি। আগুনে ৭ দশমিক ৯৮ একর বনভূমি আক্রান্ত হয়েছে। এছাড়া সাড়ে পাঁচ একর বনভূমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো।
গতকাল দিনব্যাপী আক্রান্ত এলাকা পর্যবেক্ষণ করে আগুনের অস্তিত্ব পাননি ফায়ার সার্ভিস ও বন বিভাগের সদস্যরা। তবে অতিরিক্ত সতর্কতার জন্য আরো ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) কাজী মুহাম্মদ নুরুল করিম।
শনিবার বিকালে সুন্দরবনের আমরবুনিয়ায় আগুন লাগার খবর পায় পূর্ব বন বিভাগ। পরে বন বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়। সন্ধ্যা নামায় অগ্নিনির্বাপণ শুরু করতে পারেনি বন বিভাগ। পরদিন সকালে ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও বন বিভাগের নিজস্ব ফায়ার ইউনিট আগুন নির্বাপণ শুরু করে। সোমবার সকালে আবারো সম্মিলিত চেষ্টায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়। আগুন নেভানোর কাজে প্রশিক্ষিত বাহিনীর সঙ্গে যোগ দেন স্থানীয় পাঁচ শতাধিক বাসিন্দা। সম্মিলিত চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি না নিভলেও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো বলেন, ‘আগুন লাগার স্থান বৃষ্টির পানিতে ভিজে গেছে। কোথাও কোথাও পানি জমে রয়েছে। সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনায় আগুন নিভে গেছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জিপিএসের মাধ্যমে আমরা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা নিরূপণের চেষ্টা করেছি। আগুনে ৭ দশমিক ৯৮ একর বনভূমি আক্রান্ত এবং সাড়ে পাঁচ একর বনভূমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্টে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।’










