নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, ‘আমাদের নির্বাচনী অঙ্গনে দুর্বৃত্তায়ন হয়েছে। দুর্নীতি, দুর্বৃত্তায়ন থাকলে রাষ্ট্রে স্থিতিশীলতা আসবে না। দুর্নীতির বিস্তার দূর করতে না পারলে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার জন্য দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়ন দূর করতে হবে। এখন রাজনীতিবিদ, আমলা, ব্যবসায়ীরা মনে করে, দুনীর্তিবাজদের সঙ্গে চলাফেরা করতে হয়। বড় দুর্নীতিবাজের সঙ্গে চলতে পারাটা বড় বলে মনে করে।’
বৃহস্পতিবার সেন্টার ফর গর্ভনেন্স স্টাডিজ আয়োজিত এক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনী ও রাজনৈতিক অঙ্গন দুনীর্তি, দুর্বৃত্তায়ন হয়ে গেছে। আমাদের সমাজে যে দুর্নীতি বিস্তার করেছে সেটি দূর করতে হবে। ১৯৫৪ সালে নুরুল আমিন সরকারের সময়ে একটি নির্বাচন হয়েছে, সেটা আয়োজন করেছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সেখানে সরকারি দল পরাজিত হয়েছিল। কারণ নির্বাচনটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হয়েছিল। তখন কোনো নির্বাচন কমিশন, প্রতিষ্ঠান ছিল না। এখন নির্বাচন কমিশন, প্রাতিষ্ঠান অবস্থান তৈরি হয়েছে। কিন্তু স্বচ্ছতা আসে নাই। এজন্য দুর্নীতি দূর করতে হবে। রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা আনতে হলে এবং রাষ্ট্রে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রয়োজন নির্বাচনী ও রাজনৈতিক অঙ্গনের পরিচ্ছন্নতা।’
সেন্টার ফর গর্ভনেন্স স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।










