কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা ইসকে আব্দুল্লাহ (৫৪) বাল্যবিবাহ করতে এসে জনতার হাতে গণপিটুনীর শিকার হয়েছেন। তিনি দিনাজপুর সদরের সুইহারী গ্রামের মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে।

মঙ্গলবার রাতে রৌমারী উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের বড়াইকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে জনতার রোষানল থেকে ওই কর্মকর্তাকে উদ্ধার করেন রৌমারী সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শালু। স্থানীয়দের দাবি, প্রথম স্ত্রীর ভুয়া অনুমতি সনদ ও কিশোরীকে ফুঁসলিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করতে আসায় ওই কর্মকর্তাকে গণপিটুনি দেয়া হয়েছে।

শৌলমারী ইউনিয়নের ওয়ার্ড সদস্য ইউনূছ আলী জানান, ২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষায় শৌলমারী এমআর স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা ইসকে আব্দুল্লাহ। এর সুবাদে কেন্দ্রেই পরিচয় হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে ফোন করে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন তিনি।

অভিযুক্ত রানীশংকৈল উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা ইসকে আব্দুল্লাহ বলেন, আমার প্রথম স্ত্রীর দুটি অপারেশনের কারণে শারীরিকভাবে অসুস্থ। ফলে আমি দ্বিতীয় বিয়ে করতে এসেছি। মেয়ের বয়স কম এটা আমার জানা ছিল না।