পিরোজপুরের কাউখালীতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণ না করে আত্মসাত ও মাস্টাররোলে গরমিল করার অভিযোগে হাফিজুর রহমান নামে খাদ্যবান্ধব ডিলারের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই ডিলারকে আত্মসাত করা চালের সরকার নির্ধারিত মূল্যের (১৪১০ কেজি চাল প্রতিকেজি ৪৩ টাকা ৪৮ পয়সা হিসাবে) দ্বিগুণ টাকা (১ লাখ ২২ হাজার ৬৪২ টাকা) জরিমানা করা হয়েছে। কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. খালেদা খাতুন রেখা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সদস্য সচিব মো. মেহেদী হাসান জানান, হাফিজুর রহমান ২০১৬ সাল থেকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার। তার বিক্রয়কেন্দ্র কাউখালী শহরের কলেজ রোড এলাকায়। হাফিজুর রহমান ২০১৮ ও ২০১৯ সালে বেশ কয়েকজন দুস্থদের মাঝে চাল বিতরণ না করে আত্মসাত করেন। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে সোমবার কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. খালেদা খাতুন রেখার নেতৃত্বে আমরা হাফিজুর রহমানের বিক্রয়কেন্দ্রে পরিদর্শনে যাই। এ সময় আমরা ৬৫ দুস্থর কার্ড জব্দ করি। এরপর আমরা তদন্ত করে দেখতে পাই হাফিজুর রহমান যে মাস্টাররোল জমা দিয়েছেন তার মধ্যে গড়মিল পেয়েছি। তাছাড়া ২৪টি কার্ডে সুবিধাভোগীদের স্বাক্ষর পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, ‘এরপর আমরা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হাফিজুর রহমানের খাদ্যবান্ধব ডিলারের লাইসেন্স বাতিল করি। এ সময় তাকে ১ লাখ ২২ হাজার ৬৪২ টাকা জরিমানা করা হয়।
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. খালেদা খাতুন রেখা জানান, তদন্তে বিষয়টির সত্যতা পাওয়ায় হাফিজুর রহমান নামে এক খাদ্যবান্ধব ডিলারের লাইসেন্স বাতিল ও জরিমানা করা হয়েছে।










