লক্ষ্মীপুরে জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিব ইমাম খুনের ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কাশেম জিহাদিসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে নিহত নোমানের বড় ভাই সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় এ মামলা করেন। এদিকে জোড়াখুনের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে লক্ষ্মীপুর পুলিশ সুপার মো. মাফুজ্জামান আশরাফ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের বশিকপুর গ্রামের মো. সেলিম পাটোয়ারীর ছেলে ইসমাইল হোসেন, নন্দি গ্রামের মৃত আবদুল মন্নানের ছেলে মো. সবুজ (৩১) ও মো. তাজল ইসলামের ছেলে আজিজুল ইসলাম বাবলু (৩২)। এর মধ্যে ইসমাইল নোমান-রাকিব হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের পোদ্দার বাজার এলাকায় দুর্বৃত্তরা যুবলীগ নেতা নোমান ও ছাত্রলীগ নেতা রাকিবকে গুলি করে হত্যা করে। এ সময় তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও সেলফোন নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। শব্দ শুনে ঘটনাস্থল গিয়ে স্থানীয় লোকজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার ২৭ ঘণ্টা পর চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাশেম জিহাদিকে প্রধান আসামি করে ১৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
নিহত নোমান সদর উপজেলার বশিকপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি প্রস্তাবিত জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক। অন্য নিহত রাকিব বশিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা ও একই ইউনিয়নের নন্দীগ্রামের রফিক উল্যার ছেলে।










