শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকিয়া সুলতানা বলেছেন, আখচাষীদের প্রশিক্ষণ দিতে চলতি বছর কুষ্টিয়া সুগার মিলে একটি পাইলট প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এ উদ্যোগ সফল হলে দেশে অধিক চিনি আহরণযোগ্য উন্নত জাতের আখ চাষ বাড়বে। এতে একদিকে যেমন চালু চিনিকলগুলোয় উৎপাদন অব্যাহত থাকবে, অন্যদিকে উৎপাদন স্থগিত হয়ে যাওয়া চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করা সম্ভব হবে।

গতকাল কুষ্টিয়ার চেঁচুয়ায় ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্যায়ের ‘আখ চাষের টেকসই মডেল’ শীর্ষক এক কর্মশালায় এ উদ্যোগের কথা জানান সচিব। কর্মশালায় ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটিবি) এবং আখ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ের মাধ্যমে কীভাবে কৃষকদের যথাযথ ফলন নিশ্চিত করা যায় তা নিয়ে দিনব্যাপী আলোচনা হয়।

বিএটিবি এ কর্মশালার আয়োজন করে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকিয়া সুলতানা কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, বিএটিবির সহযোগিতায় তাদের পদ্ধতি অবলম্বন করে চাষীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশে আখের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশন।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান অপু। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদশ সুগার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. আমজাদ হোসেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আনোয়ারুল আলম, চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের পরিচালক আশরাফ আলী।

আরো উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম, বিএটিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।