ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রথম বর্ষের ছাত্রী ফুলপরী খাতুনের ওপর নির্যাতন চলাকালে ভিডিও ধারণ করা সেলফোনটি এখনো উদ্ধার হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, সেলফোন উদ্ধারে উদ্যোগ নিতে পুলিশকে চিঠি দেয়া হয়েছে। পুলিশ বলছে, চিঠি পাওয়া গেছে, উদ্ধার তৎপরতা চলছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচএম আলী হাসান জানিয়েছেন, হাইকোর্টের নির্দেশনার পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে গতকাল এ বিষয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। 

তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় ও হাইকোর্টের নির্দেশনার পূণার্ঙ্গ নথি হাতে পেতে যতটুকু সময় লেগেছে তার আলোকেই পত্র দেয়া হয়েছে। অফিশিয়ালি আরো কিছু তথ্য আগামীকাল দেয়া হবে।’ 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ওসি আন নূর যায়েদ।

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে পাঠানো রেজিস্ট্রারের চিঠি পেয়েছেন। উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে বলেও তিনি জানান। 

নির্যাতনের শিকার ফুলপরী খাতুনের অভিযোগ ছিল গত ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি যখন তার ওপর নির্যাতনকালের ভিডিও হালিমা খাতুন উর্মি নামের এক ছাত্রী সেলফোনে ধারণ করেন। ফুলপরীর দাবি, ‘অত্যাচার চলাকালে তার সাথে বিভিন্ন ধরনের “‍অশ্লীল আচরণ’’ করা হয়। সেসব ভিডিও ধারণ করে তার জীবন শেষ করে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়েছিল।’ 

কিন্তু তদন্ত কমিটির কাছে অভিযুক্ত ছাত্রী দাবি করেন, তার সেলফোনটি হারিয়ে গেছে। তিনটি তদন্ত কমিটিই একই ধরনের তথ্য পায়। তদন্ত কমিটির তথ্যের আলোকে ফোনটি উদ্ধারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দেন হাইকোর্ট।