কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনের আর মাত্র সপ্তাহখানেক বাকি। কর্মী-সমর্থক নিয়ে ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন তিন মেয়র প্রার্থী। ভোটারের সমর্থন আদায়ে নানা কৌশল অবলম্বনের পাশাপাশি ভোটের নানা সমীকরণ নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চালিয়ে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। ভোটারও তাদের পছন্দের প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই করে নিতে ব্যস্ত। এবারের ভোটে নতুন প্রজন্মের প্রায় ২০ হাজার ভোটার ভোট দিতে যাচ্ছেন। এবার সদর দক্ষিণ উপজেলা থেকে কোনো মেয়র প্রার্থী না থাকায় সেখানকার ৬০ হাজারেরও অধিক ভোটারের দিকে দৃষ্টি এখন তিন মেয়র প্রার্থীর। এছাড়া ভোটের মাঠে নতুন ভোটার, সংখ্যালঘু, নারী ও জামায়াতের ভোটার জয়-পরাজয়ে অন্যতম ফ্যাক্টর হতে পারেন বলে সচেতন মহলের অভিমত।  

রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ বছর কুসিকের ২৭টি ওয়ার্ডের ১০৫টি ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ২৯ হাজার ৯২০। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ১২ হাজার ৮২৬ এবং ১ লাখ ১৭ হাজার ৯২ নারী। এর আগে ২০১৭ সালে কুসিকের দ্বিতীয় নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ২ লাখ ৭ হাজার ৫৬৬ জন। ওই নির্বাচনে মোট ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৯০ ভোট পড়েছিল। ওই বছর ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু ৬৮ হাজার ৯৪৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। আওয়ামী লীগ প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা নৌকা প্রতীকে পেয়েছিলেন ৫৭ হাজার ৮৬৩ ভোট। এ বছর কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের তৃতীয় নির্বাচনে ২২ হাজারেরও অধিক ভোট বেড়েছে।