দেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর মোংলা থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের মূল যন্ত্রাংশ নিউক্লিয়ার রি-অ্যাক্টর প্রেসার ভেসেল বা পারমাণবিক চুল্লি খালাস শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। গতকাল দুপুরে বন্দরের ৯ নম্বর জেটি থেকে আমদানীকৃত বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওইসব পণ্য খালাস শুরু হয়।
এর আগে রাশিয়ার ভলগা নদী থেকে যাত্রা করে প্রায় ১৪ হাজার কিলোমিটার সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে জাহাজটি গত মঙ্গলবার রাতে মোংলা বন্দরে পৌঁছায়। মালামালগুলো নৌপথে লাইটার জাহাজে করে এক মাসের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের (রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প) বৈজ্ঞানিক তথ্য কর্মকর্তা সৈকত আহমেদ।
এদিকে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চাহিদা অনুযায়ী এমভি ডাইসি নামে জাহাজে ২ হাজার ৩৫৫ টন মেশিনারিজ প্যাকেজ নিয়ে মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে। পর্যাপ্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি সতর্কতার সঙ্গে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালামাল সড়ক ও নৌপথে রূপপুর পাঠাচ্ছেন প্রকল্পের কর্মকর্তারা। মেশিনারিজগুলো রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রে পৌঁছানোর জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।
বৈজ্ঞানিক তথ্য কর্মকর্তা সৈকত আহমেদ বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রাশিয়ার ভিভিআইআর ১২০০ মডেলের দুটি ইউনিটে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। আমাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রথম ইউনিটের মালামাল মোংলায় এসে পৌঁছেছে। ২০২৩ সালের দিকে আমরা উৎপাদনে যেতে পারব বলে আশা করছি।










