ইসি সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ গতকাল দুপুরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। এ নির্বাচনে নির্বাচনী কর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১৬ আগস্ট। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৮ আগস্ট, অর্থাৎ ভোট গ্রহণের দুইদিন আগে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সাধারণত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সরকারি দলের দেয়া একক প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন। এক্ষেত্রে ভোট গ্রহণের প্রয়োজন হয় না।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী, প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে একজন সংসদ সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজনকে সমর্থক হতে হয়। প্রার্থীর নিজেরও সম্মতিসূচক স্বাক্ষর থাকতে হবে। প্রার্থী একজনের বেশি না হলে তাকেই বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে। আর একাধিক প্রার্থী হলে বিধিমালা অনুযায়ী সংসদের অধিবেশনকক্ষে নেয়া হবে ভোট। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কেবল সংসদ সদস্যরাই ভোট দিয়ে থাকেন।
ইসি সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ জানান, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য সংসদ সচিবালয় থেকে ভোটার তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। তাদের তালিকা নিয়ে ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি।
সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর ১৯৯১ সালে একাধিক প্রার্থী হওয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট করতে হয়েছিল। পরে প্রতিবারই ক্ষমতাসীন দল মনোনীত প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে আসছেন।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটি এরই মধ্যে রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন ও নির্বাচনসংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেয়ার সম্পূর্ণ দায়িত্ব দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করেছে। দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে ক্ষমতায় আছে। সে হিসাবে তাদের একক প্রার্থী থাকলে ১৮ আগস্টই জানা যাবে নতুন রাষ্ট্রপতি কে।
রাষ্ট্রপতির পদ থেকে গত ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। তার পর থেকে ২৩তম রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে ইসি। নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে ইসিকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আয়োজন করতে হয়।









