সিলেটে
রেলে নাশকতা রোধ ও যাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নজরদারি জোরদার করেছে
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। যেকোনো ধরনের নাশকতা ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে স্টেশনগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অত্যন্ত সর্তকতার সঙ্গে কাজ করছেন
সাদা পোশাকে র্যাব সদস্যরা। গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
সিলেট
রেলস্টেশনে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাব ৯-এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার মো. মোমিনুল
হক। জরুরি পরিস্থিতিতে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় সিলেট রেলস্টেশনে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য
জানায় র্যাব ৯।
অধিনায়ক
উইং কমান্ডার মো. মোমিনুল হক বলেন, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে রেললাইন কেটে ফেলাসহ
ট্রেনে অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটছে। এমন পরিস্থিতিতে ট্রেনের নাশকতা রোধ ও সার্বিক
নিরাপত্তা নিশ্চিতে র্যাব ৯-এর আওতাধীন এলাকা সিলেটসহ সিলেট বিভাগের অন্যান্য জেলা
ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার রেলস্টেশনগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
এ
সময় তিনি বলেন, রেল স্টেশনগুলোতে নিয়মিতভাবে রোবাস্ট পেট্রোল পরিচালনা করা হচ্ছে। নাশকতাকারী
ও দুষ্কৃতকারীরা যেন কোনো দাহ্য পদার্থ, নাশকতা ও বিস্ফোরক দ্রব্য কিংবা অবৈধ মালামাল
(মাদক, আগ্নেয়াস্ত্র) ইত্যাদি বহন করতে না পারে সেজন্য র্যাব ৯-এর আওতাধীন স্টেশনগুলোর
গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বিভিন্ন সময় ধারাবাহিকভাবে চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনা
করা হচ্ছে।
সংবাদ
সম্মেলনে এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ট্রেনের যাত্রীদের নিরাপত্তার অংশ হিসেবে রেল স্টেশন
এবং বিভিন্ন ট্রেনে র্যাব ৯-এর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট বিভিন্ন সময় সুইপিং কার্যক্রম
পরিচালনা করছে। পাশাপাশি যেকোনো ধরনের নাশকতা ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
স্টেশনগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অত্যন্ত সর্তকতার সঙ্গে র্যাব-৯ কর্তৃক সাদা
পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে
সংবাদ
সম্মেলন শেষে সিলেট স্টেশনে অপেক্ষমাণ ট্রেনে এবং প্ল্যাটফর্মে র্যাব ৯-এর বোম্ব ডিসপোজাল
ইউনিট সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করে।










