দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয়ভাবে আওয়ামী লীগ প্রায় পৌনে ৩ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। গতকাল নির্বাচন কমিশনে নির্বাচনী ব্যয় বিবরণী জমা দান শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান দলটির নেতারা।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলমের কাছে নির্বাচনী ব্যয় বিবরণী জমা দেন। ভোট শেষে ৯০ দিনের মধ্যে দলীয় ব্যয় বিবরণী জমা দেয়ার বিধান রয়েছে।
৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৬৬ জন প্রার্থী দেয়। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, দলটির সর্বোচ্চ সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয় করার সুযোগ ছিল।
ব্যয় বিবরণী জমা দিয়ে নির্বাচন ভবনে কাজী জাফর উল্লাহ বলেন, ‘আমাদের সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ের সীমা ছিল। তার থেকে ব্যয় কম হয়েছে।’
আওয়ামী লীগ কোষাধ্যক্ষ এইচএন আশিকুর রহমান জানান, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মোট নির্বাচনী ব্যয় ২ কোটি ৭৬ লাখ ৭৮ হাজার ১২০ টাকা। প্রার্থীরা নিজ থেকে ব্যয় করে। তাই আমাদের ব্যয় কম হয়। পুরো ব্যয়টা দলীয় হয় না। অন্য দলের যেখানে ১০ টাকা লাগে, সেখানে আমাদের ২ টাকা লাগে। পোস্টার, জনসভা, প্রচার ইত্যাদি খাতে ব্যয় হয়েছে।
দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, ‘নিবন্ধিত দল হিসেবে আমরা প্রতি বছর আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেব। আজ নির্বাচনী ব্যয়ের বিবরণী জমা দেয়া হয়েছে। আয়ের বিবরণী বার্ষিক অডিট রিপোর্টে দেয়া হয়ে থাকে।’ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ সংসদ নির্বাচনে ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিল বলে জানান তিনি।
এ সময় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, অর্থ পরিকল্পনা উপকমিটির সদস্য জাফরুল শাহরিয়ার জুয়েল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।










