ফরিদপুরের মধুখালীতে ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় হাটঘাটা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। টিনের স্কুলঘরটি কিছুদিন আগে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংস্কার করা হয়েছিল। সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় রেমালে বিধ্বস্ত হয় সেটি। প্রায় দুই মাস হতে চললেও তা মেরামত করা হয়নি। স্থানীয় একটি ক্লাবের বারান্দায় পাঠদান করানো হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০২ সালে মো. মোস্তফা কামাল জমি দান করে প্রতিষ্ঠিত করেন বিদ্যালয়টি। প্রায় দুই যুগ ধরে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয় যাচ্ছে। চারচালা একটি টিনের ঘরে পাঠদান চলে আসছিল দীর্ঘদিন। সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে বিধ্বস্ত হয় ঘরটি। এতে সমস্যায় পড়েন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক রুখসানা পারভীন বলেন, ‘২০০৭ সালে নিয়োগ পেয়ে বিনা বেতনে কাজ করে আসছি। বর্তমানে চারজন শিক্ষক কর্মরত। শতাধিক শিক্ষার্থীও রয়েছে এখানে। একমাত্র টিনের চারচালা ঘর ছিল। সেটিও ঝড়ে পড়ে যাওয়ায় বিদ্যালয়টি অস্তিত্ব সংকটে। কখনো গাছতলায়, কখনো ক্লাবের বারান্দায় পাঠদান চলছে।’
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আমি সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত করার। তবে সরকারি সহযোগিতা ছাড়া প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখা কঠিন।’
এ ব্যাপারে মধুখালী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, সরকারের নির্দেশনা রয়েছে, যেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেখানেই বই বিতরণ করার। তারা সেভাবেই চাহিদামতো বিদ্যালয়টিতে বই দিচ্ছেন। এর বাইরে কিছু করার নেই। কারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির নিবন্ধন নেই।
উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মুহাম্মাদ মুরাদুজ্জামান বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’










