দীর্ঘ ১৭ দিন পর বন্ধ থাকার পর অবশেষে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সব ধরনের সেবা চালু হয়েছে। আজ শনিবার (১৪ জুন) সকাল ৮টার পর জরুরি ও বহির্বিভাগের সেবা পুরোদমে চালু করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
এদিন সকাল সাড়ে ৮টায় সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালটির বহির্বিভাগে আসা রোগীদের টিকিট দেয়া শুরু হয়েছে। দীর্ঘ সময় পর সেবা চালু হওয়ায় জরুরি বিভাগসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে ছিল রোগীদের ভিড়।
হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্সরা জানান, রোগীদের প্রয়োজনীয় সব সেবা দেয়া হচ্ছে। চলছে পরীক্ষা। প্রয়োজনে ভর্তিও হতে পারছেন রোগীরা।
এদিকে হাসপাতালটিতে এতোদিন রোগী না থাকলেও সেখানে জুলাই আন্দোলনে আহতরা অবস্থান করছিলেন। তাদের জন্য বিশেষ খাবার সরবরাহ করছিল সরকার। ঈদের আগে তাদের কয়েকজন গ্রামের বাড়িতে যান। আজ তাদের কজন আবার হাসপাতালে আসেন। তবে তাদের হাসপাতালে ঢুকতে দেয়া হয়নি।
হাসপাতালের নিরাপত্তায় দায়িত্বরত আনসার ও পুলিশ সদস্যরা জানান, তারা ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যাওয়া জুলাই আহত বেশ কয়েকজন আজ হাসপাতালে ঢুকতে চেয়েছেন। কিন্তু তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর ভেতরে ঢুকতে দেয়া হয়নি। এ বিষয়ে ওপরের নির্দেশনা রয়েছে বলেও জানান তারা।
গত ২৫ মে দুপুরে হাসপাতালের পরিচালকের কক্ষে একটি বৈঠক চলাকালে সঠিক চিকিৎসা না পাওয়া ও অবহেলার অভিযোগ এনে বিষপান করেন সেখানে চিকিৎসাধীন চার জুলাইযোদ্ধা। তাদের তাৎক্ষণিকভাবে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এর তিনদিন পর ২৮ মে জুলাই আন্দোলনে আহত ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্স-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর হাসপাতালের সব ধরনের সেবা বন্ধ হয়ে যায়। পরে ৪ জুন সীমিত পরিসরে জরুরি সেবা পুনরায় চালু হলেও অন্য সেবা বন্ধ ছিল। এ সময়জুড়ে হাসপাতালে ভর্তি অনেক রোগী চলে যান। সবশেষ গত বৃহস্পতিবার সীমিত পরিসরে বহির্বিভাগের চিকিৎসাসেবা চালু হয়।











