রাজশাহী নগরীর সব নাগরিক পর্যায়ক্রমে করোনার টিকা পাবেন। গণটিকাদান কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে গতকাল দুপুরে সাংবাদিকদের এ কথা জানান মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এর আগে সকাল ৯টার দিকে নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে একযোগে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। তবে কোথাও কোথাও টিকাদান শুরু হতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। টিকা নিতে এসে হুড়োহুড়ি করতেও দেখা গেছে লোকজনকে।
মেয়র লিটন সাংবাদিকদের বলেন, স্বল্প সময়ের মধ্যে নগরীর সব নাগরিককে টিকার আওতায় আনা হবে। কোনো নাগরিক টিকা নিতে বাকি থাকবে না। আশা করি, আমরা করোনার টিকা প্রদান কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারব। করোনা থেকে মুক্তি পেতে টিকা গ্রহণের বিকল্প নেই, নাগরিকরা সেটি বুঝতে পেরেছেন। এজন্য টিকা নিতে মানুষের আগ্রহও অনেক বেড়েছে।
তিনি বলেন, টিকা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীদের পূর্বাভিজ্ঞতা রয়েছে। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে পরপর নয়বার দেশসেরা রাসিক। আমাদের প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীরা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কেন্দ্রেও টিকা প্রদান কার্যক্রমে নিয়োজিত।
নগরীর ৩০ ওয়ার্ডের ৮৪ কেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত টিকাদান চলে। রাসিকের দুজন স্বাস্থ্যকর্মীর সঙ্গে তিনজন স্বেচ্ছাসেবী প্রত্যেক কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছেন। আমরা সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছি।
দুপুরে রাসিকের ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় টিকাদান কেন্দ্র পরিদর্শন করেন মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এরপর তিনি ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় টিকা কেন্দ্রে যান। টিকা প্রদান ও কেন্দ্রের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন মেয়র। কথা বলেন টিকাগ্রহীতাদের সঙ্গেও। এ সময় ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন আনার, ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সুমন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
রাসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম জানান, গতকাল শুরু হওয়া এ গণটিকাদান কার্যক্রম চলবে ১২ আগস্ট পর্যন্ত।










