সাতক্ষীরার
ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে শুকনা হলুদ আমদানি কমে গেছে। গত অর্থবছরের প্রথম
পাঁচ মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে এ মসলা পণ্যের
আমদানি কমেছে অন্তত ৫০০ টন। বন্দরসংশ্লিষ্ট ও আমদানিকারকরা বলছেন,
ভারতে পণ্যটির দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদানি কমে যাচ্ছে।
এদিকে আমদানি কমে যাওয়ার কারণে দেশীয় বাজারে হলুদের দাম বেড়েছে। এক-দেড় মাসের ব্যবধানে কেজিতে ৬০-৭০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে পণ্যটির। ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে জানা গেছে, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) বন্দর দিয়ে শুকনা হলুদ আমদানি হয়েছে ১০ হাজার ১৮৯ টন, যার আমদানি মূল্য ১৫৩ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। অন্যদিকে গত ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে শুকনা হলুদ আমদানি হয়েছিল ১০ হাজার ৭৬৫ টন, যার আমদানি মূল্য ছিল ১৩৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। এ হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে বন্দরটি দিয়ে শুকনা হলুদ আমদানি কমেছে ৫৭৬ টন।
ভোমরা স্থলবন্দরের অন্যতম মসলা পণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান বলেন, ‘ভারতে পণ্যটির সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি দামও বেড়ে গেছে। এ কারণে আমাদের আমদানি খরচ বেড়ে গেছে। তাছাড়া দাম বেশি থাকলে ভোক্তারাও কম পরিমাণে কেনেন।’
দেশে এখন পাইকারি পর্যায়ে গুঁড়া হলুদ বিক্রি হচ্ছে ২৩০-২৪০ টাকা দরে, যা এক-দেড় মাস আগেও ১৭০-১৭৫ টাকার মধ্যে ছিল। দাম বাড়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় পণ্যটির দাম ঊর্ধ্বমুখী।’
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা আবু সালেহ মো. আব্দুল্লাহ বলেন, ‘হলুদসহ সব ধরনের মসলার দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা বাজার তদারকি করছি। কেউ যদি বাড়তি মুনাফার জন্য দাম বেশি নেয় তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
সাতক্ষীরা জেলা সদরের সুলতানপুর বড় বাজারের মসলা আড়ত মেসার্স আবির ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী আব্দুল আজিজ জানান, হলুদ, পেঁয়াজ, শুকনা মরিচসহ সব ধরনের মসলার দাম বেড়েছে।










