চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) আন্তর্জাতিক বাজারে ১ হাজার ৪৭ টন চা রফতানি করেছে তুরস্ক। এ সময় পানীয় পণ্যটি রফতানি বাবদ তুরস্কের রাজস্ব আয় আগের বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। দেশটির ইস্টার্ন ব্ল্যাক সি এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর এগ্রিমানি ও আনাদোলু নিউজ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে তুরস্ক থেকে ৭৫টি দেশে ১ হাজার ৪৭ টন চা রফতানি হয়েছে। এ সময় চা রফতানি করে দেশটির রাজস্ব আয় হয়েছে ৩৮ লাখ ডলার। আগের বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় গত জানুয়ারি-মার্চ সময়ে চা রফতানিতে দেশটির রাজস্ব আয় বেড়েছে ৫১ শতাংশ। মোট রফতানি হওয়া চায়ের ৬০ শতাংশই কৃষ্ণসাগরীয় উপকূল হয়ে দেশের বাইরে গেছে।
জানুয়ারি-মার্চ সময়ে বেলজিয়ামে চা রফতানি করে সবচেয়ে বেশি ১৫ লাখ ডলার রাজস্ব আয় করেছে তুরস্ক। সর্বোচ্চ রাজস্ব আয়ের হিসাবে বেলজিয়ামের পর পরই রয়েছে যথাক্রমে সাইপ্রাস ও জার্মানি।
এ বিষয়ে তুরস্কের ইস্টার্ন ব্ল্যাক সি এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান সোবান টুরগুট বলেন, তুরস্ক থেকে চা রফতানি ক্রমেই বাড়ছে। এ খাত দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।








