দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৪০০ দরিদ্র এবং মেধাবী শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি দিয়েছে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন। আগামী দুই বছরে এসব শিক্ষার্থীর এইচএসসি কোর্স সম্পন্ন করতে মোট ২ কোটি ২০ লাখ টাকা বৃত্তি দেয়া হবে। বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ২০০ জন ছাত্র ও ২০০ জন ছাত্রী রয়েছেন। শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সম্প্রতি ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে বৃত্তির চেক হস্তান্তর করা হয়। এ সময় ৫০ জন শিক্ষার্থী সরাসরি উপস্থিত হয়ে বৃত্তির অর্থ গ্রহণ করেন। বাকি ৩৫০ জনের বৃত্তির অর্থ নির্ধারিত সময়ে তাদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে দেয়া হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিচালক ও ব্যাংক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এ কে আজাদ। সভাপতিত্ব করেন শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ বলেন, ‘বর্তমান আর্থিক সীমাবদ্ধতা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে না; তাদের স্বপ্ন, অধ্যবসায়, সততা ও কঠোর পরিশ্রমই ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।’ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদেরও অসচ্ছল মেধাবীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
ব্যাংক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এ কে আজাদ বলেন, ‘বৃত্তি শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, মেধাবীদের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক।’ এ সময় সফল হতে ভালো ফলের পাশাপাশি সততা, মানবিকতা, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমকে জীবনের অংশ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের এমডি মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘ব্যাংকের দায়িত্ব শুধু ব্যাংকিং সেবায় সীমাবদ্ধ নয়; সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি সামাজিক দায়িত্বও রয়েছে।’ শিক্ষায় বিনিয়োগের সুফল দীর্ঘস্থায়ী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শিক্ষা একটি জাতিকে আমূল পরিবর্তন করতে সক্ষম।’ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দেশকে এগিয়ে নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালক মো. সানাউল্লাহ সাহিদ, আব্দুল বারেক, আক্কাচ উদ্দিন মোল্লা, খন্দকার শাকিব আহমেদ ও ফকির মনিরুজ্জামান এবং স্বতন্ত্র পরিচালক মো. রিয়াজুল করিমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা।










