সুদৃঢ় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, পরিবর্তনের সঙ্গে দ্রুত খাপ খাওয়াতে সক্ষম বাজার কাঠামো, প্রযুক্তির কৌশলগত ব্যবহার ও টেকসই অর্থায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের আর্থিক বাজারকে আরো শক্তিশালী করা সম্ভব। বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা মোকাবেলার পাশাপাশি নতুন সুযোগ কাজে লাগাতে শক্তিশালী বাজার অবকাঠামো, নীতিমালার পরিষ্কার দিকনির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
সম্প্রতি দেশের ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন ক্লায়েন্টদের নিয়ে প্রথমবারের মতো ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটস লিডারশিপ ফোরামের আয়োজন করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ। এতে নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২০০ জন শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধি অংশ নেন। এ সময় তারা বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান মূলধন বাজার, নীতিনির্ধারকদের ভূমিকা, বাজার স্থিতিশীলতা, টেকসই প্রবৃদ্ধি ও উদ্ভাবনের সুযোগ নিয়ে মতবিনিময় করেন।
ফোরামে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান মাসুদ খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. সরোয়ার হোসেন।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এনামুল হক। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মূলধন বাজার এখন এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে অবস্থান করছে। স্থিতিশীল বাজার, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাকে আরো শক্তিশালী করা এবং ডিজিটাল ও টেকসই অর্থায়নকে গ্রহণের মাধ্যমে আমরা দেশের অর্থনীতির পরবর্তী প্রবৃদ্ধির ধাপ উন্মোচন করতে পারি।’
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের হেড অব মার্কেটস অ্যান্ড করপোরেট সেলস সাবাহ সালিহীন আজিম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা ও প্যানেল আলোচনা পরিচালনা করেন।
প্যানেলিস্ট হিসেবে ছিলেন সিটি ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা মাসরুর আরেফিন এবং ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব ট্রেজারি, অফশোর ব্যাংকিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস মেহেদী জামান। অন্যদিকে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের পক্ষে ছিলেন হেড অব ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটস এফআই সেলস (দক্ষিণ এশিয়া) আশীষ মালিক; হেড অব ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস (জিসিএনএ), হেড অব বিবিডি (জিসিএনএ ও সাউথ এশিয়া) ও করপোরেট অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং প্রতিনিধি হিমাংশু ধ্যানি এবং হেড অব ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস (বাংলাদেশ) নাসরিন রহমান।










