নভেল করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারীর ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে ধাতুর বাজার। এ ধারাবাহিকতায় লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে (এলএমই) তামার দাম গত এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে। দাম টনপ্রতি ৫ হাজার ১৭৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। খবর মেটাল বুলেটিন।
এলএমই প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী, গত ১৭ মার্চ ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন তামা ৫ হাজার ২০৩ ডলার বিক্রি হয়েছিল। এর পর ব্যবহারিক ধাতুটির দাম ক্রমেই কমতে শুরু করে। ২৩ মার্চ ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন তামার দাম ৩ হাজার ৬১৭ ডলার ৫০ সেন্টে নেমে আসে। এক মাসের মধ্যে এটাই তামার সর্বনিম্ন দাম।
মার্চের শেষ দিকে ব্যবহারিক ধাতুর বাজারে তামার দাম কিছুটা বাড়তির দিকে ছিল। তবে টনপ্রতি ৫ হাজার ডলার ছাড়ায়নি। মাসের শেষ কার্যদিবসে ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন তামার দাম ৪ হাজার ৭৯৭ ডলার ছিল।
এপ্রিলের প্রথম কার্যদিবসে এলএমইতে ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন তামা ৪ হাজার ৭৭২ ডলারে বিক্রি হয়। এর পর ক্রমেই চাঙ্গা হয়ে ওঠে তামার বাজার। দাম বাড়তে বাড়তে ৭ এপ্রিল ৫ হাজার ডলার ছাড়িয়ে যায়। ওইদিন ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন তামা ৫ হাজার ৬৭ ডলার ৫০ সেন্টে বিক্রি হয়।
এর পর কিছুটা কমলেও ফের ১৪ এপ্রিল ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন তামার দাম ওঠে ৫ হাজার ১১৯ ডলার। আরো বেড়ে ১৭ এপ্রিল ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন তামা বিক্রি হয় ৫ হাজার ১৭৫ ডলার ৫০ সেন্টে, যা গত এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, নভেল করোনাভাইরাসের কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতির স্থবিরতা তামার দরপতনে প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছিল। এখন চীনের উৎপাদন খাত আগের তুলনায় গতিশীল হয়েছে। অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে তিন ধাপে লকডাউন তুলে নেয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত মিলেছে। এ সম্ভাবনা ধাতুর বাজারে তামার দাম বাড়িয়েছে।








