সর্বশেষ ত্রৈমাসিকে প্রত্যাশার চেয়ে বেড়েছে স্টারবাকসের আয় ও রাজস্ব। মঙ্গলবারের এক প্রতিবেদনে কফি জায়ান্টটি বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে কোল্ড কফির চাহিদার কারণে এটি সম্ভব হয়েছে।
ওয়াল স্ট্রিট এক পূর্বাভাসে ৮১১ কোটি ডলার আয়ের পূর্বাভাস দিলেও তা গত ত্রৈমাসিকে দাঁড়িয়েছে ৮১৫ কোটি ডলারে।
মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটির অন্তর্বর্তীকালীন সিইও হাওয়ার্ড শুলজ বলছেন, চেইনটি তাদের গ্রাহকদের বাণিজ্য বা ক্রয় কমাতে দেখছে না। মূল্য নির্ধারণ ক্ষমতা ও বিশ্বস্ততাকে এর কারণ হিসেবে দেখছেন তিনি।
একই সময়ে গ্রাহক সংকটে ভুগছে ম্যাকডোনাল্ড’স ও চিপোটল মেক্সিকান গ্রিলের মতো জনপ্রিয় চেইন রেস্টুরেন্টগুলো। গ্যাস ও মুদির উচ্চ বিল পকেটে চেপে বসায় কম আয়ের ক্রেতারা এসব রেস্টুরেন্টে আসা কমিয়ে দিয়েছেন বা কম খরচ করছেন।
৩ জুলাই শেষ হওয়া ত্রৈমাসিকে স্টারবাকসের নিট বিক্রি বেড়েছে ৯ শতাংশ।
আইসড শ্যাকেন এক্সপ্রেসোর জনপ্রিয়তা বেড়েছে উল্লেখ করে স্টারবাকস জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের এ ত্রৈমাসিকে বিক্রির তিন-চতুর্থাংশ ঠাণ্ডা পানীয়। শুলজ জানান, গ্রাহকরা গরম পানীয়ের চেয়ে ঠাণ্ডা পানীয়তে সিরাপ ও দুধের মতো মফিফায়ার যোগ করতে পছন্দ করেন, যা সামগ্রিক পানীয়ের দাম বাড়িয়ে দেয়। এ কফি চেইনের অন্যতম প্রধান গ্রাহক জেন জেডের কাছে ঠাণ্ডা পানীয় বেশি জনপ্রিয়।
তবে চীনে চাহিদা কমে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বিক্রি কমেছে ১৮ শতাংশ। স্টারবাকস জানায়, কভিড বিধিনিষেধ থাকায় এ ত্রৈমাসিকে দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার চীনে দুই-তৃতীয়াংশ বিক্রি প্রভাবিত হয়েছে। ফলে চীনে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বিক্রি হ্রাস পেয়েছে ৪৪ শতাংশ। কোম্পানিটি এখনো চীনে পর্যায়ক্রমে স্বল্পমেয়াদি বন্ধ দেখতে পাচ্ছে।
গত ত্রৈমাসিকে বিশ্বব্যাপী ৩১৮টি নতুন স্থানে স্টারবাকস চালু হয়েছে। এখন তাদের রেস্টুরেন্ট সংখ্যা ৩৪ হাজার ৯৪৮-এ পৌঁছেছে। এর মধ্যে চীনে রয়েছে ৫ হাজার ৭৬০টি। বছর শেষে এ সংখ্যা ছয় হাজারে উন্নীত করার লক্ষ্য কফি চেইনটির।









