সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে রসুন আমদানি বেড়েছে। গত অর্থবছরের প্রথম মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছর প্রথম মাসে পণ্যটি দ্বিগুণেরও বেশি আমদানি হয়েছে। এদিকে বন্দর দিয়ে আমদানি বাড়লেও দেশের বাজারে রসুনের দাম কমছে না, বরং বেড়েই চলেছে। এক মাসের ব্যবধানে রসুনের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫০-৬০ টাকা পর্যন্ত। ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা বলছেন, বাজারে রসুনের সরবরাহের তুলনায় চাহিদা বেশি। এ কারণেই মূলত দাম বাড়ছে।
ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে জানা গেছে, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম মাস অর্থাৎ জুলাইয়ে বন্দর দিয়ে রসুন আমদানি হয়েছে ১ হাজার ৮১৫ টন, যা গত অর্থবছরের প্রথম মাসের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। আমদানীকৃত এসব রসুনের মূল্য ২৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের প্রথম মাসে এ বন্দর দিয়ে রসুন আমদানি হয়েছিল ৮৭৭ টন, যার আমদানি মূল্য ছিল ১১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে পণ্যটির আমদানি বেড়েছে ৯৩৮ টন।
ভোমরা বন্দরের মসলাপণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান বণিক বার্তাকে জানান, সম্প্রতি আমদানি বাড়লেও ভারতে রসুনের দাম কমছে না। এক-দেড় মাসের ব্যবধানে আমদানি ব্যয় কেজিতে ৪০-৫০ টাকা বেড়েছে। এর প্রভাব দেশীয় বাজারে পড়ছে। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠান সপ্তাহে ১৫-২০ ট্রাক রসুন আমদানি করছে।
সাতক্ষীরা সুলতানপুর বড়বাজারের মসলা বিপণন আড়ত মামা-ভাগ্না ভাণ্ডারের স্বত্বাধিকারী মো. জহুরুল হক বলেন, ‘সম্প্রতি রসুনের দাম বেড়েছে। এক মাস আগেও প্রতি কেজি রসুন পাইকারিতে ১৪০-৪৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এসব রসুন এখন ১৮০-১৯০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ প্রতি কেজিতে ৫০-৬০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে।’










