শেরপুরে স্থানীয় পাইকারি আড়ৎ থেকে খুচরা বাজারে আসার সঙ্গে সঙ্গেই দাম দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে কাঁচামরিচের। কিছু অসাধু খুচরা ব্যবসায়ী বেশি মুনাফার জন্য এ কাজটি করছেন প্রায় সপ্তাহখানেক ধরে।

আজ বৃহস্পতিবার জেলা শহরের কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকা কেজি দরে। এতে নিম্ন আয়ের মানুষকে কাঁচামরিচ কিনতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

শেরপুর জেলা শহরের সবচেয়ে বড় কাঁচা তরকারির আড়ৎ হচ্ছে স্টেডিয়াম সংলগ্ন আড়ৎ এবং জামালপুর ব্রিজ সংলগ্ন আড়ৎ। এ দুই আড়তে গিয়ে সরেজমিনে দেখা যায়, ৫ কেজি কাঁচামরিচ পাইকারি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, কেজি পড়েছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে। অথচ স্থানীয় নবীনগর হাজির মোড় বাজার, নয়আনী বাজার, বৌ বাজার, খোয়ারপাড় বাজার, বাসস্ট্যান্ডসহ জেলার বিভিন্ন হাটবাজারে মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি দরে।

নয়ানি বাজারে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা জলিল বলেন, বর্তমানে শুধু কাঁচামরিচ নয়, অন্যান্য অনেক সবজি ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। নিম্ন আয়ের মানুষ যদি শাকপাতা কিনে খেতে না পারে, তাহলে তারা খাবে কী ? এর জন্য নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা দরকার।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্ষার কারণে কৃষকের মরিচের টাল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ফলে বাজারে মরিচ কম পাওয়া যাচ্ছে, যে কারণে সঙ্কট হয়েছে। এ ছাড়া করোনা মহামারির জন্য বাজারে ভোক্তা কমেছে বলে লোকসান গুনতে হচ্ছে।